:

চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি তেল নিয়ে আরো ৫টি জাহাজ

top-news

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যেও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরেরর জলসীমানয় নোঙ্গর করেছে আরো ৫টি জাহাজ। এর মধ্যে তিনটি জাহাজ থেকে জ্বালানি তেল খালাসের জন্য বাথিং দেয় হয় ডলফিন জেটিতে। 

বুধবার সকাল থেকে  এসব জাহাজ থেকে জ্বালানি তেল খালাস শুরু হয়। তিনটিতে আছে আছে হাই সালফার ফুয়েল অয়েল। আর দু'টি জাহাজে রয়েছে এলপিজি এবং এলএনজি। এ দু'টি জাহাজের অবস্থান চট্টগ্রাম বন্দরেরর বহি:নোঙ্গরে। এসব জাহাজ থেকে ছোট ছোট লাইটার জাহাজের মাধ্যমে জ্বালানি খালাস চলেছে। 

বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে।  এরমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক আসছে তেল-গ্যাসবাহী জাহাজ। এসব জাহাজের বেশিরভাগই যুদ্ধ পরিস্থিতির তীব্রতা বাড়ার আগেই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছিল।

প্রায় দুই সপ্তাহে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরে তেল ও গ্যাসের ২৩টি বড় জাহাজ পৌঁছেছে। এরমধ্যে কয়েকটি জাহাজ এসেছে সিঙ্গাপুর, ভারত ও মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে । 

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে,   চ্যাং হ্যাং হং তু’ নামের জাহাজটি মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে  বন্দরের জলসীমায় নোঙ্গর করে ১৫ মার্চ।  জাহাজটি রয়েছে প্রায় ৫০০০ টন গ্যাস অয়েল।  ‘এলপিজি সেভেন’ নামে অপর একটি জাহাজ ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে ৮ মার্চ কুতুবদিয়া এলাকায় অবস্থান করছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৭ হাজার ২০ টন এলপিজি খালাস হয়েছে।

এদিকে আগামী ২৩ মার্চের মধ্যে বন্দরে আসছে আরও চারটি জ্বালানিবোঝাই জাহাজ। এঙ্গোলা, ওমান, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ড থেকে এসব জাহাজ আসার কথা রয়েছে। এই চার জাহাজের দুটিতে এলপিজি, একটিতে এলএনজি ও অপরটিতে বেইজ অয়েল রয়েছে।

এর ফলে দেশে জ্বালানি তেলের সংকট অনেকটাই কেটে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বন্দরের জলসীমানায় থাকা এসব জাহাজ থেকে দ্রুত জ্বালানি তেল খালাসে সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *